আজ বিশ্ব কবিতা দিবস। মুক্তাক্ষর সাহিত্য স্রোত পরিবারের সকলকে জানাই এই দিনটির বিশেষ শুভেচ্ছা। আপনাদের কলম ধারালো হয়ে উঠুক আরো। কবিতায় কবিতায় ভরে উঠুক এই মিলন মহোৎসব। অক্ষরে অক্ষরে যাপন হোক প্রতিটা দিন। - মুক্তাক্ষর নিবেদন করছে একটি কবিতার মায়াজাল। জলঙ্গী । কবিতা ১. পত্রিকার রোজনামচা দেবাশীষ অধিকারী শুধু কেচ্ছার পাঁচ…
Read more »সুরাবুদ্দিন সেখ সোহরাব। কবিতা লেখার একটা আলাদা তেজ রয়েছে তার। হাত দিলে কিছু না কিছু নতুন খুজে ফেলেন। মুক্তাক্ষরকে দিয়েছে তার তিনটি কবিতা। সেগুলো রইল। ১, বাসন্তী চাঁদনি রাতে সুরাবুদ্দিন সেখ সোহরাব ফাগুন মাসের চাঁদনি রাতে মনটা আমার ব্যাকুল রূপের রাতে উঠান গাছে নজর পড়ে মুকুল ঐ বাসন্তী আজকে রাতে তোমার এত রূপ! জ্বলন্ত হৃদ…
Read more »অভিষেক দাস। একটা ভালো ছেলে, কবিতায় তার প্রতিফলন দেখি প্রতিনিয়ত। কাজ, লেখা, ব্যাবহার এ মুগ্ধ করেছে মুক্তাক্ষর কে। ওনার লেখা তিনটি কবিতা রইল। ১, এ যেন এক মৃত বসন্ত অভিষেক দাস যে বসন্তে লোহিত আবিরের রং ফিকে, যে বসতিতে বিষাদের সুর চারিদিকে এ বসন্তে রক্তিম পলাশ যেন ধূসর মলিন এ নিঃসঙ্গ বসন্তে সবাই হয়ে যাচ্ছে বিলীন। মৃত ব…
Read more »সত্যব্রত ধর। আধুনিক, নরম সব ধরনের কবিতায় তিনি যেনো শিক্ষক আমাদের। শব্দ চয়নে মুগ্ধতা ছড়িয়ে মুক্তাক্ষর সাহিত্য পরিবার কে ভাসিয়েছে কবিতার সায়রে। তার তিনটি কবিতা রইল। ১, বসন্ত এসে গেছে সত্যব্রত ধর উত্তরের হাওয়া বরাবরই খামখেয়ালি আপনভোলা। শীতের খসখসে রুক্ষতা শেষে গরমের তাৎক্ষণিক চাকচিক্য প্রকাশ পেলেও, কুয়াশার সাময়িক…
Read more »অশোক কুমার দাস। কবিতা ও কবিতা সম্পর্কিত শব্দ যার কাছ থেকে শেখা। যে মানুষটা আমাদের ছেলেমেয়ের আদরে দেখে। তার কাছে মুক্তাক্ষর সাহিত্য স্রোত সবসময় ঋণী। তার দুটি কবিতা রইল। ১, অগ্নিশুদ্ধি অশোক কুমার দাস এলোমেলো সময়ের পাকদন্ডে কলম ও পড়েছে মুখোশ যেন যুদ্ধে বিরতির আবেশে অনেক পড়াশোনায় কাল কাটিয়ে শেষে ছদ্মবেশ ভুল করে আত্মব…
Read more »অরুণাভ জীবন দত্ত। বাংলা কবিতার মায়াজাল থেকে জন্ম পাওয়া আরেক মহীয়ান। আমরা তার কবিতায় স্তব্ধ। বিভিন্ন আলোকচিত্র সাথে শহরের আনাচে কানাচে ধরে নিয়ে তার শৈল্পিক যাত্রা। মুক্তাক্ষর সমৃদ্ধ হয়েছে তার লেখায়। তার দুটো কবিতা রইল। ১, ফিরবে না আর অরুণাভ জীবন দত্ত অপেক্ষা করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েছি, কেউ আর ডেকো না। জীবনের সামান্…
Read more »অজয় মণ্ডল। একজন প্রতিভাধর শিল্পী যে কলমকে প্রতিদিন ঘষেমেজে চকচকে করছে। আর সেই ঘষামাজা বাসনপত্র নিয়ে ছবি তৈরি করছে মুক্তাক্ষর সাহিত্য পরিবার। তারই লেখা তিনটে কবিতা রইল নিচে। ১. শেষ পরিণতি হোক না ভালো অজয় মণ্ডল সংবিধান হুল ফুটিয়ে দিচ্ছে চিন্তিত ব্যাক্তির বুদ্ধির কারুকার্য চাকাকে। রাজনীতি জন্ম দিচ্ছে নতুন লোভময় অমানু…
Read more »সৌম্যদ্বীপ দাস। কবিতা প্রেমী ও লেখক। তাদের সমষ্টিগত সৃষ্টি এই পরিবার। কবিতায় মুগ্ধ করেছে মুক্তাক্ষর সাহিত্য স্রোত কে। তার লেখা তিনটি কবিতা রইল। ১. পলাতক সৌম্যদ্বীপ দাস আমিষ ভক্ত ছাড়া, ওসব দেখে কজন..? সাধারণত আর কেউ মরছেনা আমি লাফ দিয়ে বেড়িয়ে এলাম, ঘুমের মধ্যে শুয়ে আছি এবার তোমাদের পিঠে জীবনের শানবাঁধানো ঘাট আর বেশ…
Read more »দেবাশীষ অধিকারী। কলম এর তীক্ষ্ণ ফলা। মুক্তাক্ষর সাহিত্য স্রোত এর প্রতিষ্ঠাতা। তার লেখায় ভারত-বাংলাদেশ ছড়িয়ে পড়েছি আমরা। তিনটি কবিতা রইল তার। ১. সবাইকে ফাঁকি দেওয়া যায় না দেবাশীষ অধিকারী তুমি না বড্ড বোকা, ভেবেছিলে আমায় ঠকাবে। জানো না যে চাইলেই সবাইকে ঠকানো যায় না, হারানো যায় না। কেউ কেউ ইচ্ছে করেই হারে প্রিয় মা…
Read more »সৌম্যদ্বীপ সাহা। উদীয়মান কবিদের মধ্যে অন্যতম মুখ। মুক্তাক্ষর সাহিত্য স্রোত এর এক জ্বলন্ত কান্ডারী। তার তিনটি কবিতা রইল। ১. চূড়ান্ত এক পরিণতি সৌম্যদ্বীপ সাহা একদিন শুকাবে, সত্যিই শুকাবে সব নুন-এ ভেজা বালিশগুলো; সময়ের কবলে মলিন হবে হয়তো বা তার রং কিন্তু ভিজে থাকবে না। আর সেই দ্রষ্টার দৃষ্টিকোঠরের নদীখাতও হবে শুষ্ক, হয…
Read more »সুনয়ন পাত্র। বিগত কয়েকদিন ধরে মুক্তাক্ষর সাহিত্য পরিবারকে নিজের কাব্যরসে বিভোর করে রেখেছে। তার তিনটি কবিতা রইল। ১. প্রভেদ সুনয়ন পাত্র নৌকো আঁকা চিত্ত তোমার আমি দিক না জানা নাবিক তুমি বৃষ্টি বহুল মেঘালয়ে মরুতে ঘোরা আমার বাতিক এখানে দীর্ঘ আঁধার পার হয়না কালো বিষাদ বিষের জ্বালায় তুমি দুইশ ওয়াট হ্যালোজেনে দুচোখ ঢ…
Read more »